একাদশীতে কি কি খাবারে নিষেধ আছে
একাদশী পারণের নিয়ম কী
একাদশীর ব্রত মাহাত্ম্য কী
যে গুলো পালন করতেই হবে কী কী
আর একাদশী না থাকলে কি হবে
১। সমর্থ পক্ষে দশমীতে একাহার, একাদশীতে নিরাহার, ও দ্বাদশীতে একাহার করিবেন ।
২। তা হতে অসমর্থ পক্ষে শুধুমাত্র একাদশীতে অনাহার।
৩। যদি উহাতেও অসমর্থ হন, একাদশীতে পঞ্চ রবিশস্য বর্জন করতঃ ফল মূলাদি অনুকল্প গ্রহণের বিধান রহিয়াছে।
⬇
#একাদশীতে_পাচঁ_প্রকার_রবিশস্য_গ্রহণ_করতে_নিষেধ_করা_হয়েছেঃ
১। ধান জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন – চাউল,মুড়ি, চিড়া, সুজি, পায়েশ, খিচুড়ি, চাউলের পিঠা, খৈ ইত্যাদি
২। গম জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন – আটা,ময়দা, সুজি , বেকারীর রূটি , বা সকল প্রকার বিস্কুট ,হরলিকস্ জাতীয় ইত্যাদি ।
৩। যব বা ভূট্টা জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন — ছাতু , খই , রূটি ইত্যাদি ।
৪। ডাল জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন — মুগ মাসকলাই , খেসারী , মসুরী, ছোলা অড়রহ , ফেলন, মটরশুটি, বরবঢী ও সিম ইত্যাদি ।
৫। সরিষার তৈল , সয়াবিন তৈল, তিল তৈল ইত্যাদি । উপরোক্ত পঞ্চ রবিশস্য যেকোন একটি একাদশীতে গ্রহণ করলে ব্রত নষ্ট হয় ।
#একাদশীতে_পাচঁ_প্রকার_রবিশস্য_গ্রহণ_করতে_নিষেধ_করা_হয়েছেঃ
১। ধান জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন – চাউল,মুড়ি, চিড়া, সুজি, পায়েশ, খিচুড়ি, চাউলের পিঠা, খৈ ইত্যাদি
২। গম জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন – আটা,ময়দা, সুজি , বেকারীর রূটি , বা সকল প্রকার বিস্কুট ,হরলিকস্ জাতীয় ইত্যাদি ।
৩। যব বা ভূট্টা জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন — ছাতু , খই , রূটি ইত্যাদি ।
৪। ডাল জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন — মুগ মাসকলাই , খেসারী , মসুরী, ছোলা অড়রহ , ফেলন, মটরশুটি, বরবঢী ও সিম ইত্যাদি ।
৫। সরিষার তৈল , সয়াবিন তৈল, তিল তৈল ইত্যাদি । উপরোক্ত পঞ্চ রবিশস্য যেকোন একটি একাদশীতে গ্রহণ করলে ব্রত নষ্ট হয় ।
🚫
উল্লেখ্য যারা সাত্ত্বিক আহারী নন এবং চা , বিড়ি / সিগারেট পান কফি ইত্যাদি নেশা জাতীয় গ্রহণ করেন, একাদশী ব্রত পালনের সময়কাল পর্যন্ত এগুলি গ্রহণ না করাই ভালো ।
#একাদশীর_ব্রত_মাহাত্ম্য :
#একাদশী_পারণঃ
*** #বিঃ দ্রঃ নিমোক্ত বিষয়গুলোর প্রতি দৃষ্টি রাখা বাঞ্ছনীয়ঃ —
একাদশীতে চলমান একাদশীর মাহাত্ম্য ভগবদ্ভক্তের শ্রীমুখ হতে শ্রবণ অথবা সম্ভব না হলে নিজেই ভক্তি সহকারে পাঠ করতে হয় ।
আর একাদশী না থাকলে কি হবে তাও শুনুন:
একাদশী কালীন আপনি যে খাবার গ্রহণ করবেন অর্থাৎ খাদ্য শস্য গ্রহন করবেন তা খাবার নয় , পাপ ভক্ষণ করবেন।
কারন মাএ ১টি খাদ্য শস্যের মধ্যে #চার ধরনের পাপ থাকে।
১/মাতৃ হত্যার পাপ।
২/পিতৃ হত্যার পাপ।
৩/ব্রক্ষা হত্যার পাপ।
৪/গুরু হত্যার পাপ।
আর আপনি মাএ ১টি দানা নয় প্রতি গ্রাসে গ্রাসে হাজার হাজার দানা ভক্ষণ করবেন।
ভেবে দেখুন আপনি যে পাপ কাজ করেণনি অথচ সেই পাপ কাজের ভাগীদার হতে হবে,যদি আপনি একাদশী সময় খাদ্য শস্য গ্রহন করেন।
আর একাদশী সময় নিজে খাদ্য শস্য খেলে যে পাপ হবে তেমনি অন্যকে খাওয়ালেও সমপরিমাণ পাপ হবে।
তাই একজন সনাতনী হিসেবে আপনার থেকে একাদশী থাকা উচিৎ না অনুচিৎ তা নিজেই ভেবে দেখুন।
👉

হরে কৃষ্ণ 🙏🏿🙏🏿
উত্তরমুছুন