সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

বৈষ্ণব সার্বভৌম সিদ্ধ শ্রীল জগন্নাথ দাস বাবাজী মহারাজের উপদেশামৃতঃ

 বৈষ্ণব সার্বভৌম সিদ্ধ শ্রীল জগন্নাথ দাস বাবাজী মহারাজের উপদেশামৃতঃ                                   ১) কখনো বিষয়ীর অন্নগ্রহণ করিও না, গ্রহণ করিলে বিষয়ী হইয়া যাবে।                                                       ২) সাংসারিক অমঙ্গলকে ভগবানের দয়া বলিয়া জানিবে।                                                                                   ৩) 'সেবা করিয়াছি' বলিয়া ঢাক পিটাইয়ো না, তখন আর ইহাকে 'সেবা' বলা যাইবে না।                                    ...
সাম্প্রতিক পোস্টগুলি

শ্রীল প্রভুপাদের গল্পে উপদেশ ~

 শ্রীল প্রভুপাদের গল্পে উপদেশ ~  এক গ্রামে এক গরীব বুড়ি বাস করত। জ্বালানীর অভাবে সে কিছু দূরে এক বনের মধ্যে ঢুকল। শুকনো ডালপালা জোগাড় করে একটি বড় বোঝা বাঁধল। বোঝাটি একটু ভারী হওয়ার জন্য কোনভাবে বুড়ি তা নিজের মাথায় তুলতে পারল না। বার বার চেষ্টা করেও বিফল হল। সাহায্য করার জন্য কাছাকাছি কোন লোকজনকেও সে দেখতে পেল না। তখন সে ভগবানকে ডাকতে লাগল-“হে ভগবান, ঘরে নাতি-নাতনিরা না খেয়ে আছে। আমি জ্বালানি নিয়ে গেলে ভাত রান্না হবে। হে দয়াময়, কৃপা করে এই বোঝাটি তুলে দাও। হে হরি, বেলা গড়িয়ে যাচ্ছে আমাকে বোঝাটি তুলে দাও।” বুড়িমার কাতর মিনতি শুনে হঠাৎ এক সুন্দর বালক এসে হাজির হল।” আমারও সময় নেই, শীগগির বলো- কি করতে হবে আমাকে?” বালকটি বলল। বুড়িমা বলল “মাথায় বোঝাটি তুলে দাও।” অমনি বালকটি বোঝাটি তুলে দিয়ে বলল- “আর কি করতে হবে ?” উত্তরে বুড়িমা বলল-“ না বাবা, আর কিছু চাই না। তক্ষুনি ছেলেটি হাওয়ায় অদৃশ্য হয়ে গেল। বুড়ি কাউকে দেখতে না পেয়ে ঘরের দিকে বোঝা মাথায় চলতে লাগল। । হিতোপদেশ। বর্তমান যুগে অধিকাংশ মানুষই পরমেশ্বর ভগবানকে নিজেদের চাকর বা দাস বানাতে চায়। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ গীতা...

🙏🙏পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৫২৪৭ তম শুভ শুভ আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে সবাই...

Book Review II গ্রন্থ রিভিউ (গুরুকুল শিশুপাঠ)

ভগবানের প্রসাদ কেন গ্রহণ করা উচিত?

ভগবদগীতায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন যে, যারা আমাকে নিবেদন না করে খাদ্য গ্রহণ করে তারা পাপ ছাড়া আর কিছুই ভক্ষন করে না। আর যারা ভগবানকে নিবেদিত খাদ্যের অবশিষ্টাংশ গ্রহণ করে তারা সকল পাপমূলক প্রতিক্রিয়া হতে মুক্ত থাকে। শরীর রক্ষার জন্য আমাদের সকলকে আহার গ্রহণ করতে হয়। তাই যিনি আমাদের সবকিছু দিয়েছেন তাকে প্রথমে খাদ্য নিবেদন করা উচিৎ। এটা পরীক্ষিত সত্য যে, ভগবানের উদ্দেশ্যে নিবেদিত খাদ্য অর্থাৎ প্রসাদের বিশেষ ধরনের স্বাদ হয় যা অত্যন্ত বিলাসবহুল রেস্তোরাঁ খাবারের স্বাদ পাওয়া যায়না। প্রসাদ গ্রহণ করার ফলে মানুষের গােটা অস্তিত্ব পবিত্র হয়ে যায় এবং স্বাস্থ্য ভাল থাকে। ঈশ্বরের আশীর্বাদসূচক এই অভিজ্ঞতা ভক্তির বহিঃপ্রকাশ। শুধুমাত্র মহাঋষিদের ভুক্তাবশেষ ভক্ষন করে এক চাকরাণীর পুত্র পরজন্মে নারদ মুনি হয়েছিলেন। প্রসাদের গুণ এত ব্যাপক। বেদে বলা হয়েছেঃ “আহার শুদ্ধো সত্তশুদ্ধিঃ |  যদি কারও আহার শুদ্ধ হয়, তাহলে তার সমগ্র চেতনা শুদ্ধ হয়ে ওঠে। ঐতিহ্যগতভাবে যারা বৈদিক সংস্কৃতির অনুগামী ছিলেন, তারা তাদের আহারের বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর ছিলেন। কারণ, আহার্য যিনি রন্ধন বা প্রস্তুত করেন, তার চেতনা ...

দামোদর কে? কেনই বা দামোদর মাসে দীপ দান?

দামোদর কে?  পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আরেক নাম দামোদর। দাম শব্দের অর্থ রশি এবং উদর হচ্ছে কোমর। মা যশোদা কর্তৃক যাঁর উদরে দাম বা  রশি বন্ধন রয়েছে, তিনিই দামোদর। এই ব্রত পালন করতে হলে কি কি বর্জনীয় জেনে নিন? ======জয় দামোদর ব্রত===== ধর্মাত্মা ব্যক্তি দামোদর=কার্তিক=মাসে মৎস=মাংস ভক্ষন করবে না=রাজমাষ=বরবটি=শিম=কমলী শাক= পটল=বেগুন=মাছ মাংস এসব বর্জন করিবেন? =============================== আর যারা ১মাস হবিষ্যান্ন করবেন তারা শ্রীশ্রী হরিভক্তিবিলাসে ১৩ অধ্যায়ের ১০-১৩ নং শ্লোকে হবিষ্যান্নের উপাদান উল্লেখ্য করা হয়েছে যে=নিম্নোক্ত উপাদানগুলো হবিষ্যান্ন তৈরিতে ব্যবহার করা যাবে আতপ চাল=ঘী=কাওন=শ্যামা চাল=সৈন্ধব লবণ= ননীপূর্ণ গোদুগ্ধ=পাকা কলা=কাচা কলা এসব আর কাচা পাকা পেপে=আলু,মরিচ এসব পেতে পারবেন।গম=ফল কিন্তু ফলটা==স্কন্ধপুরাণের নাগরখন্ডে অবশ্যই কম বীজ পূর্ণ ফলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে== হবিষ্যান্ন বর্জনীয় যেসব দ্রবগুলো=মুগ ডাল=তিল তেল=বেতো শাক=সাত্ত্বিক শাক মুলা=জিরা ও তেঁতুল! =================================== দিনে ২বার সূর্য উদয়ের আগে হবিষ্যান্ন গ্রহণ করতে হবে।শরীরে তৈল সাবান ক...

মনমুগ্ধকর হরিনাম সকীর্ত্তIন @Shuvomoy Madhova Das I কৃষ্ণকথা II