ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ভগবদ্গীতায়,,বলেছেন যে,, আর্ত,অর্থার্থী,জিজ্ঞাসু,এবং জ্ঞানী এই চার রকম কনিষ্ঠ ভক্তের মধ্যে জ্ঞানীরা তাঁর অত্যন্ত প্রিয়,,কারণ শ্রীকৃষ্ণের প্রতি তাঁদের আসক্তি কোন লৌকিক লাভের জন্য নয়।
শ্রীকৃষ্ণের প্রতি তাঁদের আসক্তি কষ্ট নিবারণ বা ধনপ্রাপ্তি
ইত্যাদি প্রতিদানের আশায় নয়। এর অর্থ হচ্ছে যে,প্রথম থেকেই শ্রীকৃষ্ণের প্রতি তাঁদের আসক্তির কারণ প্রেম।
অধিকন্তু,জ্ঞানচর্চা ও শাস্ত্র অধ্যায়নের ফলে তাঁরা বুঝতে
পারেন যে,শ্রীকৃষ্ণই হচ্ছেন পরমেশ্বর ভগবান।।
ভাগবদ্গীতায়,, আর বলা হয়েছে যে,,বহু বহু জন্মের পরে কেউ যখন যথার্থ জ্ঞান লাভ করেন,তখন তিনি যথাযথভাবে বাসুদেব শ্রীকৃষ্ণকে সর্ব কারণের পরম কারণ বলে উপলব্ধি করতে পেরে তাঁর শরণাগত হন।
তখন তিনি শ্রীকৃষ্ণের চরণকমলকে একমাত্র আশ্রয়রুপে উপলব্ধি করতে পারেন এবং ধীরে ধীরে তাঁর প্রতি তাঁর প্রেম প্রগাঢ় হতে থাকে।যদিও এই ধরনের
জ্ঞানীভক্ত শ্রীকৃষ্ণের অত্যন্ত প্রিয়,তবু ও আর্ত ও অর্থার্থী ভক্তদেরও মাহাত্মারুপে গণ্য করা হয়েছে,কারণ শান্তির অন্বেষণে তাঁরাও শ্রীকৃষ্ণের শরণাগত হয়েছেন।।(হরে কৃষ্ণ)
শ্রীকৃষ্ণের প্রতি তাঁদের আসক্তি কষ্ট নিবারণ বা ধনপ্রাপ্তি
ইত্যাদি প্রতিদানের আশায় নয়। এর অর্থ হচ্ছে যে,প্রথম থেকেই শ্রীকৃষ্ণের প্রতি তাঁদের আসক্তির কারণ প্রেম।
অধিকন্তু,জ্ঞানচর্চা ও শাস্ত্র অধ্যায়নের ফলে তাঁরা বুঝতে
পারেন যে,শ্রীকৃষ্ণই হচ্ছেন পরমেশ্বর ভগবান।।
ভাগবদ্গীতায়,, আর বলা হয়েছে যে,,বহু বহু জন্মের পরে কেউ যখন যথার্থ জ্ঞান লাভ করেন,তখন তিনি যথাযথভাবে বাসুদেব শ্রীকৃষ্ণকে সর্ব কারণের পরম কারণ বলে উপলব্ধি করতে পেরে তাঁর শরণাগত হন।
তখন তিনি শ্রীকৃষ্ণের চরণকমলকে একমাত্র আশ্রয়রুপে উপলব্ধি করতে পারেন এবং ধীরে ধীরে তাঁর প্রতি তাঁর প্রেম প্রগাঢ় হতে থাকে।যদিও এই ধরনের
জ্ঞানীভক্ত শ্রীকৃষ্ণের অত্যন্ত প্রিয়,তবু ও আর্ত ও অর্থার্থী ভক্তদেরও মাহাত্মারুপে গণ্য করা হয়েছে,কারণ শান্তির অন্বেষণে তাঁরাও শ্রীকৃষ্ণের শরণাগত হয়েছেন।।(হরে কৃষ্ণ)

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন