সনাতন ধর্মে সেই বহুকাল ধরে চলে আসছে জাত গোত্র নিয়ে বিভ্রান্তি আজ আমরা জানবো জাত গোত্র নিয়ে চৈতন্য মহাপ্রভু ও শ্রীল প্রভুপাদ এবং শাস্ত্র কি বলছেন।
জাত গেল জাত গেল বলে একি আজব কারখানাঃ-------------
গোপনে যে বেইশ্যার ভাত খাও তাতে ধর্মের কি ক্ষতি হয়ঃ--------------
গোপনে যে বেইশ্যার ভাত খাও তাতে ধর্মের কি ক্ষতি হয়ঃ--------------
হা হা হা, "টাইটেল" চ্যাটার্জী, ব্যানার্জী,চট্টোপাধ্যায়, গঙ্গোপাধ্যায়, চৌধুরী, সেন, শীল, শর্মা, বনিক,দে, দেব, ঘোষ,দাশ,দাস,নাথ,বিশ্বাস, কর্মকার,গুহ,সরকার, মজুমদার, রায় ইত্যাদি। আমি এই, আমি সেই।
আপনারা না আপানাদের এই সমস্ত উচ্চ বংশীয় টাইটেল গুলোকে জলে ভিজিয়ে প্রতিদিন ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এক গ্লাস জল পান করুন। দেখবেন আপনি আরো উচ্চ বংশে অবস্থান করছেন।
আপনারা না আপানাদের এই সমস্ত উচ্চ বংশীয় টাইটেল গুলোকে জলে ভিজিয়ে প্রতিদিন ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এক গ্লাস জল পান করুন। দেখবেন আপনি আরো উচ্চ বংশে অবস্থান করছেন।
অহো বত শ্বপচোহতো গরীয়ান্ যজ্জিহাগ্রে। বর্ততে নাম তুভ্যম্।
তেপুস্তপস্তে জুহুবুঃ সস্নুরার্য বহ্মানূচুর্ণাম গৃণান্তি যে তে।(ভাগবতম ৩/৩৩/৭)
তেপুস্তপস্তে জুহুবুঃ সস্নুরার্য বহ্মানূচুর্ণাম গৃণান্তি যে তে।(ভাগবতম ৩/৩৩/৭)
হে ভগবান, নিরন্তর যিনি আপনার কীর্তন করেন, তিনি যদি চণ্ডালের মতো নীচকূলেও জন্মগ্রহণ করেন, তবুও তিনি অধ্যাত্ম মার্গের অতি উচ্চস্তরে অধিষ্ঠিত। এই প্রকার মানুষ বৈদিক শাস্ত্রের নির্দেশ অনুসারে বহু তপশ্চর্যা করেছেন এবং সমস্ত পুণ্যতীর্থে বহু স্নান করে তিনি বহুবার বেদ অধ্যয়ন করেছেন। এমন মানুষকে আর্যকুলে শ্রেষ্ট বলেই বিবেচনা করা হয়।
শ্রীল প্রভুপাদ জোর দিয়ে বলেছেন যে, তাঁর অনুগামীদের জন্য আধ্যাত্মিক জীবনের নিয়ম নীতি গুলি পালন হচ্ছে আবশ্যিক। তার আধ্যাত্মিক জীবনের জন্য এগুলির প্রয়োজনীয় হচ্ছে খুব বেশি। ফলাফলঃ-
# শ্রীল প্রভুপাদ চেয়েছিলেন তাঁর ভক্তরা হবে প্রথম শ্রেণীর মানুষ/ব্রাহ্মণ।
# ফলস্বরুপ, এই ধরনের নেতারাই পারবে সমাজের নীচু স্তরের মানুষদের পরিচালনা করতে-সেখান থেকে তাদের তুলে আনতে।
# কৃষ্ণভাবনায় নিয়ন্ত্রন ও নিয়ম-শৃঙ্খলা মনের একাগ্রতা,ইন্দ্রিয় নিয়ন্ত্রণের শক্তি ও চিন্ময় আনন্দ যা কেবল হৃদয়কে পবিত্র করার ফলে সম্ভব।
# শুদ্ধ ভক্তিমূলক সেবা বা উন্নত স্তরে ভক্তি হল পাকা আমের মত।
# ফলস্বরুপ, এই ধরনের নেতারাই পারবে সমাজের নীচু স্তরের মানুষদের পরিচালনা করতে-সেখান থেকে তাদের তুলে আনতে।
# কৃষ্ণভাবনায় নিয়ন্ত্রন ও নিয়ম-শৃঙ্খলা মনের একাগ্রতা,ইন্দ্রিয় নিয়ন্ত্রণের শক্তি ও চিন্ময় আনন্দ যা কেবল হৃদয়কে পবিত্র করার ফলে সম্ভব।
# শুদ্ধ ভক্তিমূলক সেবা বা উন্নত স্তরে ভক্তি হল পাকা আমের মত।
কৃষ্ণভক্ত কখনই জাতি অথবা কুলের মধ্যে পার্থক্য করেন না। নিতি দেখেন, সমস্ত জীবের অন্তরে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তার আংশিক প্রকাশ পরমত্মারূপে বিরাজ করছেন। পরতত্ত্বের এই উপলব্ধি হচ্ছে প্রকৃত জ্ঞান। জাতি বর্ণ নির্বিশেষে ভগবান সকলকেই সমানভাবে কৃপাকরেন, কারণ তিনি প্রতিটি জীবকেই তার সখা বলে মনে করেন। মানুষ ও পশুর দেহ ভিন্ন হলেও ভগবান তাদের উভয়ের সঙ্গেই পরমআত্মা রূপে বিরাজমান। জড়া প্রকৃতির ভিন্ন ভিন্ন গুণের প্রভাবে জড় দেহের সৃষ্টি হয়। কিন্তু দেহমধ্যস্থ জীবাত্মা ও পরমাত্মা প্রত্যেক দেহে বিরাজমান করেন। কৃষ্ণভানায় ভাবিত কৃষ্ণভক্ত এই তত্ত্ব সম্পূর্ণভাবে অবগত। তাই, তিনি প্রকৃত জ্ঞানী এবং সমদৃষ্টিসম্পন্ন।
এই জগতে দুই ধরনের বুদ্ধিমান লোক আছে। এক ধরনের বুদ্ধিমান লোক ইদ্রিয় ভোগতৃপ্তির উদ্দেশ্যে বৈষয়িক ব্যাপারে খুব উন্নতি লাভ করে, আর অন্য ধরনের বুদ্ধিমানেরা আত্মনুসন্ধানী এবং আত্ম তত্ত্বজ্ঞান লাভের চেষ্টায় সদা জাগ্রত৷ আত্মনুসন্ধানীরা কখনো জাত কূল বিচার করে না।
তারাই নিচু জাত যারা কৃষ্ণ প্রেম থেকে দূরে রয়েছেন এবং ৪ টি পাপ কর্মে যুক্ত রয়েছেন(১/অবৈধ যৌনসঙ্গ ২/আমিষ আহার ৩/নেশা ৪/জুয়া খেলা)। তারাই নীচু জাত যারা কৃষ্ণকে ভুলে পশুর মতো জীবন যাপন করছে।
প্রকৃত পক্ষে আমরা সবায় কৃষ্ণের সন্তান এবং কৃষ্ণের দাস। কারণ প্রতিটি জীবের বীজ প্রদান কারী পিতা হলেন পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ। এই পরম সত্যটা কিছু অসুর ভাবাপন্ন মায়াবদ্ধ জীব মেনে নিতে চাই না।
(জয় শ্রীল প্রভুপাদ)
(জয় শ্রীল প্রভুপাদ)
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন