আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর রাধাষ্টমী,
শ্রীল প্রভুপাদ এর সন্যাস দীক্ষা গ্রহনের দিবস,
শ্রীল জয়পতাকা স্বামী গুরুমহারাজের সন্ন্যাস গ্রহনের ৪৮ বছর উদযাপন
শ্রীল ভক্তিচারু মহারাজের ব্যাসপুজা মহোৎসব
১৭ সেপ্টেম্বর বিশ্বহরিনাম দিবস।.........নভেম্বর ১৯৬৬ , নিউইয়র্ক
নিউইয়র্ক শহরের লোয়ার ইস্ট - সাইড ছাড়িয়ে সারা আমেরিকায় ''হরেকৃষ্ণ সম্প্ৰদায়'' বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছিল — নিয়মিতভাবে পাৰ্কে কীৰ্তন হছিল, খবরের কাগজে সেই সংবাদ ছবিসহ প্ৰকাশিত হচ্ছিল।
শ্রীল প্রভুপাদের শিষ্যগন এই জনপ্রিয়তার নাম দিয়েছিল ''হরেকৃষ্ণ বিস্ফোরণ'' । লোয়ার ইস্ট সাইডের হিপীরা মনে করত যে, হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্ৰ কীৰ্তন করাটা হচ্ছে সব চাইতে আধুনিক ফ্যাশন এবং স্বামীজীর শিষ্যরা যে নেশা করে না সে জন্য তাদের জনপ্রিয়তা কমে যায় নি । কৃষ্ণভক্তদের সকলেই দেবদূত সদৃশ বলে মনে করত , তারা শাস্তির বাণী কীৰ্তন করছিল এবং বিনা পয়সায় খেতে এবং থাকতে দিছিল । ওদের ওখানে সব চাইতে সুস্বাদু নিরামিষ প্রসাদ আহার বিনা পয়সায় পাওয়া যেত ( সময়মত সেখানে গেলে ) ।
আর ওদের মন্দিরের দরজার সামনেই একটা শেলফে ভারতবৰ্ষ থেকে আনা নানারকম বই পাওয়া যেত । স্থানীয় সঙ্গীতশিল্পীরা যখন ক্লাবে সঙ্গীত পরিবেশন করত , তখন পাৰ্কে এবং মন্দিরে শোনা শ্রীল প্রভুপাদের হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র এর সুর তারা বাজাত । লোয়ার ইস্ট সাইড অঞ্চলটি ছিল চিত্ৰশিল্পী এবং সঙ্গীতশিল্পীদেরজায়গা , এখন সেটা হরেকৃষ্ণদের জায়গা হিসেবেও জনপ্রিয় হয়ে উঠল ।
আমেরিকান জাজ ও solo সঙ্গীতশিল্পীরা হরেকৃষ্ণ কীৰ্তনের দ্বারা প্ৰভাবিত হতে লাগল , ''গোবিন্দ জয় জয়'' ''তুলসী কৃষ্ণ প্রেয়সী'' ''ভজ ভকত বৎসল'' এবং এমন অন্যান্য সমস্ত কীৰ্তন । অনেক শিল্পীই রেকৰ্ডে করার সময় কতকগুলো কীৰ্তন ব্যবহার করত। বিভিন্ন সঙ্গীতজ্ঞরা বিভিন্নভাবে তার ব্যবহার প্ৰথম দিকে তা খুব ব্যাপকভাবে তার জনপ্রিয় হছিল , কিন্তু পরে সেটা একটু চাপাভাবে , মূল সঙ্গীতের ভিক্তিক্ষপে ব্যবহার হতে লাগল । তাই সেই সময়কার প্রচণ্ড উচ্ছল সঙ্গীতেও হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্তনের আধ্যায়িকতার রেশ অনুভব করা যায় । ওখানকার সমত শিল্পীরাই তখন কৃষ্ণভেক্তে পরিণত হচ্ছিল ।
তাই শ্রীল প্রভুপাদের সান্ধ্য কীৰ্তনগুলিতে সবসময়ই প্রচুর লোকের সমাবেশ হত । ব্ৰহ্মানন্দ সজল নয়নে পেছনের দরজাটার পাশে দাঁড়িয়ে থেকে দেখত, আর প্রভুপাদকে ও ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে ধন্যবাদ দিত। একসময় ঘরটা সম্পূৰ্ণভাবে ভরে যেত , ওখানে আর তিল ধারণের জায়গা নেই ।
সেই সঙ্গীতের আসরে যোগ দিতে , কীৰ্তন করতে সকলেরই খুব উৎসাহ ছিল , কিন্তু কীৰ্তন শেষ হয়ে গেলে , যখন পাঠ শুরু হত , তখন বহু লোক সেখান থেকে চলে যেত । মাঝে মাঝে পাঠ শুরু হওয়ার আগে প্ৰায় অৰ্ধেকটা ঘরই খালি হয়ে যেত কিন্তু পাঠ চলার সময় অনেক লোক চলে গেলেও যারা মন দিয়ে শ্রীল প্রভুপাদের কৃষ্ণকথা শুনত তারাই ধীরে ধীরে ভক্ত হয়েছিল।
শ্রীল প্রভুপাদ এর সন্যাস দীক্ষা গ্রহনের দিবস,
শ্রীল জয়পতাকা স্বামী গুরুমহারাজের সন্ন্যাস গ্রহনের ৪৮ বছর উদযাপন
শ্রীল ভক্তিচারু মহারাজের ব্যাসপুজা মহোৎসব
১৭ সেপ্টেম্বর বিশ্বহরিনাম দিবস।.........নভেম্বর ১৯৬৬ , নিউইয়র্ক
নিউইয়র্ক শহরের লোয়ার ইস্ট - সাইড ছাড়িয়ে সারা আমেরিকায় ''হরেকৃষ্ণ সম্প্ৰদায়'' বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছিল — নিয়মিতভাবে পাৰ্কে কীৰ্তন হছিল, খবরের কাগজে সেই সংবাদ ছবিসহ প্ৰকাশিত হচ্ছিল।
শ্রীল প্রভুপাদের শিষ্যগন এই জনপ্রিয়তার নাম দিয়েছিল ''হরেকৃষ্ণ বিস্ফোরণ'' । লোয়ার ইস্ট সাইডের হিপীরা মনে করত যে, হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্ৰ কীৰ্তন করাটা হচ্ছে সব চাইতে আধুনিক ফ্যাশন এবং স্বামীজীর শিষ্যরা যে নেশা করে না সে জন্য তাদের জনপ্রিয়তা কমে যায় নি । কৃষ্ণভক্তদের সকলেই দেবদূত সদৃশ বলে মনে করত , তারা শাস্তির বাণী কীৰ্তন করছিল এবং বিনা পয়সায় খেতে এবং থাকতে দিছিল । ওদের ওখানে সব চাইতে সুস্বাদু নিরামিষ প্রসাদ আহার বিনা পয়সায় পাওয়া যেত ( সময়মত সেখানে গেলে ) ।
আর ওদের মন্দিরের দরজার সামনেই একটা শেলফে ভারতবৰ্ষ থেকে আনা নানারকম বই পাওয়া যেত । স্থানীয় সঙ্গীতশিল্পীরা যখন ক্লাবে সঙ্গীত পরিবেশন করত , তখন পাৰ্কে এবং মন্দিরে শোনা শ্রীল প্রভুপাদের হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র এর সুর তারা বাজাত । লোয়ার ইস্ট সাইড অঞ্চলটি ছিল চিত্ৰশিল্পী এবং সঙ্গীতশিল্পীদেরজায়গা , এখন সেটা হরেকৃষ্ণদের জায়গা হিসেবেও জনপ্রিয় হয়ে উঠল ।
আমেরিকান জাজ ও solo সঙ্গীতশিল্পীরা হরেকৃষ্ণ কীৰ্তনের দ্বারা প্ৰভাবিত হতে লাগল , ''গোবিন্দ জয় জয়'' ''তুলসী কৃষ্ণ প্রেয়সী'' ''ভজ ভকত বৎসল'' এবং এমন অন্যান্য সমস্ত কীৰ্তন । অনেক শিল্পীই রেকৰ্ডে করার সময় কতকগুলো কীৰ্তন ব্যবহার করত। বিভিন্ন সঙ্গীতজ্ঞরা বিভিন্নভাবে তার ব্যবহার প্ৰথম দিকে তা খুব ব্যাপকভাবে তার জনপ্রিয় হছিল , কিন্তু পরে সেটা একটু চাপাভাবে , মূল সঙ্গীতের ভিক্তিক্ষপে ব্যবহার হতে লাগল । তাই সেই সময়কার প্রচণ্ড উচ্ছল সঙ্গীতেও হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্তনের আধ্যায়িকতার রেশ অনুভব করা যায় । ওখানকার সমত শিল্পীরাই তখন কৃষ্ণভেক্তে পরিণত হচ্ছিল ।
তাই শ্রীল প্রভুপাদের সান্ধ্য কীৰ্তনগুলিতে সবসময়ই প্রচুর লোকের সমাবেশ হত । ব্ৰহ্মানন্দ সজল নয়নে পেছনের দরজাটার পাশে দাঁড়িয়ে থেকে দেখত, আর প্রভুপাদকে ও ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে ধন্যবাদ দিত। একসময় ঘরটা সম্পূৰ্ণভাবে ভরে যেত , ওখানে আর তিল ধারণের জায়গা নেই ।
সেই সঙ্গীতের আসরে যোগ দিতে , কীৰ্তন করতে সকলেরই খুব উৎসাহ ছিল , কিন্তু কীৰ্তন শেষ হয়ে গেলে , যখন পাঠ শুরু হত , তখন বহু লোক সেখান থেকে চলে যেত । মাঝে মাঝে পাঠ শুরু হওয়ার আগে প্ৰায় অৰ্ধেকটা ঘরই খালি হয়ে যেত কিন্তু পাঠ চলার সময় অনেক লোক চলে গেলেও যারা মন দিয়ে শ্রীল প্রভুপাদের কৃষ্ণকথা শুনত তারাই ধীরে ধীরে ভক্ত হয়েছিল।





মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন